• ২০ বৈশাখ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৫ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mohammad Shami

খেলার দুনিয়া

‌মহম্মদ সামির দুরন্ত বোলিংয়ে প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত গুজরাট টাইটান্সের

মহম্মদ সামির প্রথম স্পেল নড়িয়ে দিয়েছিল লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের ভিত। সেখান থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারলেন না লোকেশ রাহুলরা। আইপিএলের দুই নতুন দলের লড়াইয়ে বাজিমাত গুজরাট টাইটান্সের। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসকে ৫ উইকেটে হারিয়ে জয় তুলে নিল গুজরাট।টস জিতে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসকে ব্যাট করতে পাঠান গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। শুরুটা ভাল হয়নি লক্ষ্ণৌর। প্রথম বলেই অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে (০) তুলে নেন মহম্মদ সামি। তাঁর স্বপ্নের ডেলিভারি রাহুলের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ে উইকেটকিপার ম্যাথু ওয়েডের হাতে। তৃতীয় ওভারে আবার ধাক্কা। আবার সামির হাত থেকে বেরিয়ে আসে স্বপ্নের ডেলিভারি। অফস্টাম্পের বাইরে পড়া বল সুইং করে ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক দিয়ে কুইন্টন ডিককের (৭) মিডল ও লেগস্টাম্পের মাথায় আঘাত করে। চতুর্থ ও পঞ্চম ওভারে আবার ধাক্কা খায় লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। চতুর্থ ওভারে বরুণ অ্যারনকে তুলে মারতে গিয়ে আউট হন এভিন লুইস (১০)। দুরন্ত ক্যাচ ধরেন শুভমান গিল। পরের ওভারে মণীশ পান্ডের (৬) স্টাম্প ছিটকে দেন সামি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের মধ্যে ৩২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। মনে হচ্ছিল হয়তো ১০০ রানের গন্ডি টপকাতে পারবে না। এরপর রুখে দাঁড়ান দীপক হুডা ও আয়ূশ বাদোনি। এই দুই ব্যাটারের সৌজন্যে প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে ১৪.২ ওভারে ১০০ রানের গন্ডি পার করে লক্ষ্ণৌ। অবশেষে দীপক হুডাকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রশিদ খান। ৪১ বলে ৫৫ রান করে তিনি এলবিডব্লু হন। এরপর আয়ূশের সঙ্গে দলকে টেনে নিয়ে যান ক্রূণাল পান্ডিয়া। ৪১ বলে ৫৪ রান করে আউট হন আয়ূশ। ১৩ বলে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্রূণাল। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৮ তোলে লক্ষ্ণৌ। ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন সামি। ৪৫ রানে ২ উইকেট বরুণ অ্যারনের। ব্যাট করতে নেমে গুজরাট টাইটান্সের শুরুটাও ভাল হয়নি। প্রথম ওভারেই দুষ্মন্ত চামিরার বলে ফিরে যান শুভমান গিল (০)। এক ওভার পরে বিজয় শঙ্করকেও (৪) তুলে নেন তিনি। এরপর ম্যাথু ওয়েড ও অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া দলকে টেনে নিয়ে যান। ২৮ বলে ৩৩ রান করে দাদা ক্রূণাল পান্ডিয়ার বলে আউট হন হার্দিক। পরের ওভারেই ম্যাথু ওয়েডকে (২৯ বলে ৩০) তুলে নেন দীপক হুডা। এর পর গুজরাটকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান ডেভিড মিলার ও রাহুল তেওয়াটিয়া। ২১ বলে ৩০ রান করে আউট হন মিলার। দলকে জয় এনে দেন তেওয়াটিয়া (২৪ বলে অপরাজিত ৪০) ও অভিনব মনোহর (৭ বলে অপরাজিত ১৫)। ২ বল বাকি থাকতে ১৬১/৫ তুলে জিতে ম্যাচ জিতে নেয় গুজরাট।

মার্চ ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Kohli-Shami : ‌প্রথম টেস্ট জিতে সামি সম্পর্কে কেন একথা বললেন বিরাট কোহলি?‌

বিদেশের মাঠে একসময় দেশের পারপরমেন্সে আতঙ্কিত হয়ে পড়তেন ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে ভারতীয় ক্রিকেট। এখন বিদেশের মাটিতেও সিরিজ জিততে শুরু করেছে। বিদেশে সিরিজ জয়ে মূল অবদান রাখছেন জোরে বোলাররা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টেও সেই ভারতীয় জোরে বোলারদের দাপট। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮ উইকেট তুলে নিয়ে প্রোটিয়া ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিলেন মহম্মদ সামি। সেঞ্চুরিয়নে জয়ের পর জোরে বোলারদের প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট জয়ের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কোহলি বলেন, গত দুতিন বছর ধরে বোলাররা একটা ইউনিট হিসেবে বল করে আসছে। এর ফলে বিদেশের মাটিতে সাফল্য আসছে। এটাই হল আমার দলের সাফল্যের মূল রসায়ন। সেঞ্চুরিয়নে টেস্ট ক্রিকেটে ২০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছেছেন মহম্মদ সামি। দলের এই জোরে বোলারকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন অধিনায়ক কোহলি। তিনি বলেন, সামি বিশ্বমানের প্রতিভা। এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা ৩ জোরে বোলারের মধ্যে ও একজন। যে কোনও উইকেট থেকে সুবিধা আদায় করার দারুণ ক্ষমতা আছে। ওর শক্তিশালী কব্জি, সিমের ব্যবহার এবং ধারাবাহিকভাবে একই জায়গায় বল করার দক্ষতা সামিকে এই উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। টেস্টে ও ২০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছনোর জন্য আমি খুশি। এই টেস্টেও দুর্দান্ত বোলিং করেছে।গোড়ালিতে চোটের জন্য সেঞ্চুরিয়ন টেস্টের প্রথম ইনিংসে বেশ কিছুক্ষণ বোলিং করতে পারেননি যশপ্রীত বুমরা। ভারতীয় দলের কাছে এটা একটা ধাক্কা ছিল বলে মনে করেন কোহলি। এর ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা কিছুটা সুবিধা পেয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। কোহলি বলেন, বুমরা প্রথম ইনিংসে বেশি বল করতে পারেনি। এরজন্য দক্ষিণ আফ্রিকা কিছুটা সুবিধা পেয়ে গিয়েছিল। ওরা ৪০ রান বেশি তুলে ফেলেছিল। বুমরা যদি চোট না পেত তাহলে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংসে ১৯৭ রানে পৌঁছতে পারত না।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : ‘‌মিশন প্রোটিয়া’‌র শুরুতেই সাফল্য, সেঞ্চুরিয়নে ১১৩ রানে জয় ভারতের

সাদা বলের ক্রিকেটে দাপট দেখাতে না পারলেও লাল বলের ক্রিকেটে অপ্রতিরোধ্য ভারত। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সংস্ককরণে ফাইনালে উঠেও অল্পের জন্য সেরার শিরোপা জোটেনি। দ্বিতীয় সংস্করণের শুরু থেকেই দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলেছে বিরাট কোহলি ব্রিগেড। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্থগিত হয়ে যাওয়া সিরিজে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা। তারপর দেশের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়। এবার দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রথম টেস্টে ১১৩ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বিরাট কোহলির দল। জয়ের জন্য ৩০৫ রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৯১ রানেই গুটিয়ে গেল প্রোটিয়ারা। সেঞ্চুরিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকার দূর্গ বলে পরিচিত। সুপারস্পোর্টস পার্কে প্রোটিয়াদের পরিসংখ্যান খুবই ভাল। সেই মাঠেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয় তুলে নিল ভারত। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কোহলি। প্রথম ইনিংসে ভারত তুলেছিল ৩২৭। জবাবে ১৯৭ রানে শেষ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংস। ১৩০ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তোলে ১৭৪। জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩০৫। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামিদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি ডিন এলগারের দল। চতুর্থ দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ৪ উইকেটে ৯৪। ডিন এলগার ৫২ রানে ক্রিজে ছিলেন। ম্যাচ বাঁচানোর জন্য তাংর ব্যাটের দিকেই তাকিয়েছিল প্রোটিয়া শিবির। ৭৭ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে এলবিডব্লিউ হন এলগার। দক্ষিণ আফ্রিকার রান তখন ১৩০। এলগার আউট হওয়ার পরপরই দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ বাঁচানোর আশা শেষ হয়ে যায়। কুইন্টন ডিকক (২১), তেম্বা বাভুমা (অপরাজিত ৩৫) কিছুটা লড়াই করলেও তা যথেষ্ট ছিল না। ৬৮ ওভারে ১৯১ রানে গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংস। ভারতের হয়ে যশপ্রীত বুমরা ৫০ রানে ও মহম্মদ সামি ৬৩ রানে ৩টি করে উইকেট পান। মহম্মদ সিরাজ ৪৭ রানে ২টি ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১৮ রানে ২টি উইকেট নেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে এই টেস্টে ৮ উইকেট নিলেন সামি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : ‌দুর্দান্ত প্রত্যাঘাত ভারতীয় বোলারদের, ৫ উইকেট নিয়ে মাইলস্টোনে মহম্মদ সামি

দিনের শুরুটা যদি দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের হয়, শেষবেলাটা অবশ্যই ভারতীয় বোলারদের। তৃতীয় দিন সকালে লুঙ্গি এনগিডি, কাগিসো রাবাডাদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন করেছিলেন ভারতীয় ব্যাটাররা। শেষবেলায় পাল্টা প্রত্যাঘাত মহম্মদ সামিদের। ভারতের ৩২৭ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯৭ রানে গুটিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। বল হাতে জ্বলে উঠলেন মহম্মদ সামি। ৪৪ রানে তুলে নিলেন ৫ উইকেট। একই সঙ্গে পৌঁছে গেলেন টেস্টে ২০০ উইকেটের মাইলস্টোনে।বৃষ্টির জন্য মাঠ ভেজা থাকায় দ্বিতীয় দিন একবলও খেলা হয়নি। প্রথম দিনের তোলা ২৭২/৩ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। আগের দিনের ১২২ রানের সঙ্গে মাত্র ১ রান যোগ করে আউট হন লোকেশ রাহুল। রাবাডার বলে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। বড় রানের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অজিঙ্ক রাহানে। ৪৮ রান করে এনগিডির বলে তিনি সেই উইকেটের পেছনেই ক্যাচ দেন। এদিন শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই জোরে বোলার লুঙ্গি এনগিডি ও কাগিসো রাবাডা। গতি ও সুইং দিয়ে বাজিমাত করে গেলেন দুজনে। উইকেটের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ অবশ্য কাজ অনেকটাই সহজ করে দিয়েছিল এই দুই জোরে বোলারের।লোকেশ রাহুল ও অজিঙ্ক রাহানে আউট হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ভারতের ব্যাটিং। প্রথম ঘন্টাতেই ভারত এদিন ৬ উইকেট হারায়। তৃতীয় দিন সকালে ভারতের পঞ্চম উইকেট পড়ে ২৯১ রানে। সেখান থেকে ৩০৮ রানের মধ্যে চারটি উইকেট হারায়, মাত্র ১২ রানের ব্যবধানে। ঋষভ পন্থ (৮), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৪), শার্দুল ঠাকুর (৪), মহম্মদ সামি (৮) কেউই রান পাননি। যশপ্রীত বুমরার (১৪) সৌজন্যে ভারত ৩২৭ রানে পৌঁছয়। শেষ উইকেটের জুটিতে মূল্যবান ১৯ রান যোগ করেন বুমরা ও মহম্মদ সিরাজ (অপরাজিত ৪)। লুঙ্গি এনগিডি ৭১ রানে ৬টি, কাগিসো রাবাডা ৭২ রানে ৩টি উইকেট নেন। ১টি উইকেট নেন মার্কো জানসেন। ভারতের শেষ ৭ উইকেট পড়ে ৫৫ রানে।এরপর ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের সামনে দিশেহারা হয়ে পড়ে প্রোটিয়া ব্যাটাররা। ১৩ ওভারের মধ্যে ৩২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে। প্রথম ধাক্কা দেন যশপ্রীত বুমরা। ইনিংসের পঞ্চম বলে তুলে নেন অধিনায়ক ডিন এলগারকে (১)। সেই ধাক্কা আর সামলাতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। মার্করাম (১৩), কিগান পিটারসেন (১৫), ভ্যান ডার ডুসেনরা (৩) রান পাননি। কিছুটা লড়াই করেন তেম্বা বাভুমা (৫২) ও কুইন্টন ডিকক (৩৪)। রাবাডা করেন ২৫। ৬২.৩ ওভারে ১৯৭ রানে গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ৪৪ রানে ৫ উইকেট নেন সামি। বুমরা ও শার্দুল ঠাকুর ২টি করে উইকেট নেন।১৩০ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তুলেছে ১ উইকেটে ১৬। ৪ রান করে জানসেনের বলে আউট হয়েছেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। লোকেশ রাহুল ৫ ও শার্দুল ঠাকুর ৪ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হার মানলেন না মমতা! পরাজয়ের পরেই বড় ঘোষণা, কালই সাংবাদিক বৈঠক

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। হেরে গিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে আগামীকাল মঙ্গলবার কালীঘাটের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছেন তিনি। বিকেল চারটেয় এই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।প্রায় পনেরো বছর রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার পর এই প্রথমবার বড় পরাজয়ের মুখে পড়ল তৃণমূল। অন্যদিকে বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে। ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রায় পনেরো হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু এই কেন্দ্রই নয়, রাজ্যের একাধিক জায়গায় তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। মুর্শিদাবাদ, কলকাতা এবং পূর্ব বর্ধমানের মতো এলাকাতেও বিজেপি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।এর মধ্যেই সোমবার বিকেলে গণনাকেন্দ্রে গিয়ে উত্তেজনার মুখে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে দলের এজেন্টকে বের করে দেওয়ার খবর পেয়ে তিনি হঠাৎই সেখানে পৌঁছে যান। কয়েক ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে তিনি গুরুতর অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, তাঁকে মারধর করা হয়েছে এবং জোর করে হারানো হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রায় একশোটি আসনে ভোট লুঠ হয়েছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মমতার এই অভিযোগকে সমর্থন করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় ভোটে কারচুপি হয়েছে এবং বহু আসন ছিনতাই করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামীকালের সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার দুর্গেই ভাঙল ঘাঁটি! ভবানীপুরে বিশাল ব্যবধানে শুভেন্দুর জয়

দীর্ঘদিন ধরে ভবানীপুরে লড়াই করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সেই কেন্দ্রেই বড় ধাক্কা খেলেন তিনি। কুড়ি রাউন্ড গণনা শেষে প্রায় ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে তাঁকে পরাজিত করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর ফলে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও জয়ী হলেন শুভেন্দু।ভবানীপুরে ভোটগণনা ঘিরে দিনভর উত্তেজনা ছিল। গণনার মাঝপথে নিজেই কেন্দ্রে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট গণনায় কারচুপি হচ্ছে। যদিও সেই অভিযোগের মধ্যেই গণনা চলতে থাকে। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ স্পষ্ট হয়ে যায় ফলাফল। দেখা যায়, ২০ রাউন্ড শেষে শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৬৩ ভোট, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৩৪৯ ভোট।নির্বাচনের আগেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তিনি ধীরে ধীরে ব্যবধান বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত জিতবেন। তাঁর সেই পূর্বাভাসই যেন মিলল বাস্তবে। শুরুতে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও পরের রাউন্ডগুলোতে ব্যবধান কমিয়ে শেষে এগিয়ে যান তিনি এবং জয় নিশ্চিত করেন।জয়ী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে এবং ভোট লুঠ করা হয়েছে। তিনি জানান, এই লড়াই এখানেই শেষ নয়, তিনি আবার ফিরে আসবেন।শুধু ভবানীপুর নয়, নন্দীগ্রামেও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের অবস্থানও এই নির্বাচনে দুর্বল হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

মে ০৪, ২০২৬
দেশ

তামিলনাড়ুতে বড় চমক! অভিনেতা বিজয়ের দলে ভর করে বদলে গেল রাজনীতি

তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে শুরু থেকেই যে ট্রেন্ড দেখা গিয়েছিল, দিনের শেষে সেই ছবিই প্রায় একই রইল। গোটা দেশকে চমকে দিয়ে এগিয়ে রয়েছে অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর, যিনি থলপতি বিজয় নামে পরিচিত। তাঁর দল ক্ষমতার দিকে এগোচ্ছে।এই ফলাফলের ফলে দীর্ঘদিনের ডিএমকে এবং এআইডিএমকে-র রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। এরই মধ্যে খবর, নিজের কেন্দ্র কোলাথুরে হেরে গিয়েছেন ডিএমকে নেতা এবং বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজয়ের দলের প্রার্থী।ভোটগণনার শুরুতেই স্ট্যালিন নিজের পরিচয় থেকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ সরিয়ে দিয়েছিলেন। বিকেলের খবর অনুযায়ী, বিজয়ের দল বেশ কয়েকটি আসনে জয় পেয়েছে এবং বহু আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে শাসক দল অনেক কম আসনে এগিয়ে আছে।তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা। সেই লক্ষ্যের দিকেই এগোচ্ছে বিজয়ের দল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শরিক দলগুলির সমর্থন পেলে সহজেই সরকার গঠন করতে পারেন তিনি।অন্য দলগুলির মধ্যেও কিছু আসনে লড়াই চলছে। তবে সামগ্রিক ছবিতে স্পষ্ট, তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন শক্তির উত্থান হয়েছে। দীর্ঘদিনের পরিচিত রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যেতে চলেছে।এখন দেখার, শেষ ফলাফল কী দাঁড়ায় এবং নতুন সরকার গঠনের জন্য কী ধরনের জোট তৈরি হয়।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

“জোর করে হারানো হয়েছে”—কার বিরুদ্ধে তোপ মমতার?

গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে এসে বড় অভিযোগ করলেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেলে তিনি শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে পৌঁছেছিলেন। সেই সময় থেকেই সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়।গণনার শুরুতে এগিয়ে থাকলেও পরে পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। রাউন্ড যত এগোয়, ততই ব্যবধান কমতে থাকে এবং বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে যান।এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিকেলে গণনাকেন্দ্রে পৌঁছান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ে। পরে রাতের দিকে তিনি গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসেন।সাংবাদিকদের সামনে তিনি অভিযোগ করেন, ভোট লুঠ হয়েছে। তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি করেন। তাঁর কথায়, জোর করে তাঁকে হারানো হয়েছে। তবে তিনি আবার ফিরে আসবেন বলেও জানান।এদিকে রাত পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভবানীপুর কেন্দ্রে একাধিক রাউন্ড গণনার পর শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে রয়েছেন। গণনা তখনও চলছিল।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেরিয়ে আসার সময় তাঁকে ঘিরে স্লোগান শোনা যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। এরপর তিনি কালীঘাটের উদ্দেশে রওনা দেন।গণনা এখনও চলছে। এই পরিস্থিতিতে ভবানীপুরের লড়াই আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

মে ০৪, ২০২৬
দেশ

বাংলার ফল নিয়ে বড় মন্তব্য! কেন কর্মীদের ধন্যবাদ দিলেন মোদি?

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দুজনেই এই জয়ের কৃতিত্ব দিয়েছেন দলের কর্মীদের পরিশ্রম, ত্যাগ এবং মানুষের সমর্থনকে।প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, এই ফলাফল মানুষের শক্তির জয় এবং সুশাসনের প্রতি মানুষের বিশ্বাসের প্রতিফলন। তিনি বাংলার ভোটারদের ধন্যবাদ জানান। তাঁর আশ্বাস, নতুন সরকার মানুষের আশা পূরণে কাজ করবে এবং সবার জন্য উন্নয়ন ও সম্মান নিশ্চিত করবে।অন্যদিকে অমিত শাহ বলেন, এই জয় সহজে আসেনি। বহু কর্মী সংগ্রাম করেছেন, কষ্ট সহ্য করেছেন, তবেই এই ফল এসেছে। অনেক পরিবার নানা সমস্যার মধ্যেও দলের পাশে থেকেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এই জায়গায় পৌঁছানো গেছে। এই যাত্রায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন বা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাঁদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জানান। বাংলার মানুষের এই রায় তাঁদের প্রতিও শ্রদ্ধার নিদর্শন বলে তিনি মনে করেন।এই জয়ের জন্য দলের সর্বভারতীয় সভাপতি, রাজ্য নেতৃত্ব এবং কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। মোদি ও শাহ দুজনেই জানিয়েছেন, এই জয় শুধু রাজনীতির নয়, বরং বাংলার উন্নয়ন ও নতুন পথচলার সূচনা।

মে ০৪, ২০২৬
দেশ

“ভয় আর তোষণের বিরুদ্ধে রায়!” বাংলার ফল নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য শাহর

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভালো ফলের ইঙ্গিত মিলতেই প্রতিক্রিয়া জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি এই ফলকে ঐতিহাসিক জয় বলে দাবি করেছেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ ভয় এবং তোষণের রাজনীতির বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে।সোমবার তিনি একাধিক বার্তায় বাংলার মানুষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এই ফল মানুষের স্পষ্ট বার্তা, যারা ভয় দেখায় এবং বিশেষ সুবিধার রাজনীতি করে, তাদের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে।তিনি আরও বলেন, এই জয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বের উপর মানুষের আস্থার প্রতিফলন। তৃণমূলের ভয়ভিত্তিক রাজনীতির বিরুদ্ধে মানুষ ভোট দিয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।অমিত শাহ বলেন, গঙ্গার উৎস থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত এখন বিজেপির শক্তি ছড়িয়ে পড়েছে। এই জয় দলের অসংখ্য কর্মীর ত্যাগ, সংগ্রাম এবং আত্মবলিদানের ফল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, বহু পরিবার নানা অত্যাচার সহ্য করেও দলের পতাকা ছাড়েনি। এই জয় সেই সব মানুষের ধৈর্য এবং বিশ্বাসেরও জয়। দীর্ঘদিনের সংগ্রামের পথে যারা প্রাণ হারিয়েছেন বা কষ্ট সহ্য করেছেন, তাঁদের প্রতিও তিনি শ্রদ্ধা জানান।শাহর দাবি, বাংলার মানুষ এই ফলের মাধ্যমে সেই সব কর্মীদের প্রতি সম্মান জানিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিরোধীদের কটাক্ষ করে বলেন, অনুপ্রবেশ এবং তোষণের রাজনীতি যারা করেছে, তাদের মানুষ শিক্ষা দিয়েছে।তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষ যে ভরসা দেখিয়েছে, তা পূরণ করার চেষ্টা করবে বিজেপি। দিনরাত কাজ করে বাংলার উন্নয়ন ঘটানো এবং সোনার বাংলা গড়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।এদিকে ভোটের ট্রেন্ড অনুযায়ী বিজেপি বেশ কিছু আসনে এগিয়ে রয়েছে এবং কিছু আসনে জয়ও পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলও কয়েকটি আসনে জয় পেয়েছে এবং কিছু জায়গায় লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।তবে ট্রেন্ডে দেখা যাচ্ছে, তৃণমূলের অনেক মন্ত্রীই পিছিয়ে রয়েছেন। এতে শাসক দলের জন্য চাপ তৈরি হয়েছে। সিঙ্গুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রেও বিজেপি এগিয়ে রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলার রাজনৈতিক ছবি দ্রুত বদলাচ্ছে। এখনও গণনা চলছে, তাই শেষ ফলাফল কী হবে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে।

মে ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মেয়ের ন্যায়বিচারের লড়াই থেকে ভোটে জয়! পানিহাটিতে চমক রত্নার

পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রায় বাইশ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছেন রত্না দেবনাথ। জয়ের পরেই তিনি মেয়ের ন্যায়বিচারের লড়াই আরও জোরদার করার বার্তা দিয়েছেন। তাঁর এই জয়কে ঘিরে এলাকায় উচ্ছ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।জয়ের পর রত্না দেবনাথ বলেন, এই জয় পানিহাটির মানুষের জয়। তাঁর কথায়, এই ফল তাঁর মেয়ের জন্য ন্যায়বিচারের লড়াইকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। তিনি বিশ্বাস করেন, একদিন বিচার অবশ্যই মিলবে।ফল ঘোষণার পরই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমায় দলীয় কর্মী ও সমর্থকরা। আবির খেলায় মেতে ওঠেন সবাই। আনন্দ উদযাপনের ছবি ধরা পড়ে চারদিকে।নির্বাচনের সময় নানা কটূক্তি ও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। তবু সাধারণ মানুষের সমর্থনই তাঁকে শক্তি দিয়েছে বলে জানান তিনি। এলাকার অনেকেই মনে করেন, ব্যক্তিগত শোককে শক্তিতে বদলে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্যই মানুষ তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে।অন্যদিকে বিরোধী পক্ষের অভিযোগ, প্রচারের সময় নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল প্রার্থীকে। মানসিক চাপ তৈরির চেষ্টাও হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত মানুষই সব অপপ্রচারের জবাব দিয়েছে বলে তাঁদের মত।এই জয়ের মুহূর্তে রত্না দেবনাথ তাঁর সাফল্য পানিহাটির মানুষকে উৎসর্গ করেছেন।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal